জুড়ীতে ছাড় দিতে রাজি নন কেউ সিদ্ধান্ত কেন্দ্রে, মনোনায়ন ফরম পাননি যুবলীগনেতা !

Spread the love








আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০১৯ কে সামনে রেখে জুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।নজরুল বেনকুয়েট হলে বিকাল ৩ঘটিকার সময় উপজেলা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন নেতা কর্মীদের উপস্থিতি অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেনের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিসবাউর রহমান। এ সময় উপজেলা ও জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি পুরো সভা পরিচালনা করেন। বর্ধিত সভায় উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন থেকে আগত নেতৃত্ববৃন্দের উপস্থিতে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সবার উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন তাদের নাম ঘোষনা করেন।চেয়ারম্যান পদে ৬জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫, মহিলা ভাইস চেয়াম্যান পদে ১জন প্রার্থী ছিলেন। পরে তিনি সবাইকে বলেন আপনারা জেনে থাকবেন যে,কেন্দ্র থেকে আমাদের কে ৩টি নাম পাঠাতে হবে এমন নির্দেশনা পাওয়ায় আমরা আপনাদের বলব নিজেরা নিজেদের মধ্যে সমোঝতা করলে বিষয়টি আরো গ্রহনযোগ্য হবে।সকল প্রার্থীকে আলাদাভাবে নিজেদের মধ্যে বুঝা পাড়া করতে ১৫মিনিট সময় দেয়া হয়।কিন্তু এতে আশানুরুপ কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।তাই ৬ চেয়ারম্যান প্রার্থী যথাক্রমে হল্যান্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ মুঈত ফারুক,উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি গুলশানারা চৌধুরী মিলি,উপজেলা আওয়ামীলীগের আহব্বায়ক মুক্তিযুদ্ধা মোঃ বদরুল হোসেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের আহব্বায়ক কিশোর রায় চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি এড.আব্দুল খালিক ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫জন প্রার্থী যথাক্রমে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক রিংকু রঞ্জন দাস, চা শ্রমিক ইউনিয়ন জুড়ীভ্যালী শাখার সভাপতি কমল বুনার্জি, উপজেলা ছাত্রলীগের একাংশের সাবেক সভাপতি জুয়েল রানা, ওলামালীগের সভাপতি রুস্তম আলী আওয়ামীলীগ নেতা জামাল মিয়া এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানে একজন প্রার্থী রনজিতা শর্মা। এদিকে যুবলীগনেতা ডাঃ আব্দুল হান্নান জানান, তিনি মনোনয়ন ফরম কিনতে গিয়ে ফরম পাননি। তাকে জানানো হয় যে, ফরম শেষ হয়ে গেছে। তবে তিনি সতন্ত্রভাবে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন বলে জানান। সভার শেষ পর্যায়ে জেলা সাধারন সম্পাদক বলেন, যেহেতু আপনারা একমত হতে পারেননি তাই আমরা সকলের নাম কেন্দ্রে পাঠাচ্ছি সেখান থেকে আপনাদের মনোনয়ন ফরম কিনতে হবে। তবে যাকে শেখ হাসিনা ম্যান্ডেট দিবেন আপনাদের কে তার পক্ষে কাজ করতে হবে।অন্যথায় দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে দল থেকে বহিষ্কার হতে হবে।

অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।






























Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *